Dhaka International university

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সার্বিক মানোন্নয়নে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে মুক্ত আলোচনা সভা

Published Date :

যুগের চাহিদা ও দেশের চাকুরী বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের পড়াশোনা সহ সার্বিক মানোন্নয়নে গত ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং রোজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সম্মানিত ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি এর নির্দেশক্রমে উক্ত ভার্সিটির দিবা শাখার ১৬ ব্যাচের দেশি-বিদেশী প্রায় ৫০০ ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে বিভাগের শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, ডীন, চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা স্যারদের এক ব্যাতিক্রমী মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভাগের উপদেষ্টা প্রফেসর ডঃ হাফিজ মোঃ হাসান বাবু, প্রোভিসি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাবেক চেয়ারম্যান, সি এস ই বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সম্মানিত রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. এ টি এম মাহবুবুর রহমান, বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক আবদুল বাসেদ, সহকারী অধ্যাপক এবং সভার মূল আয়োজক মোঃ তাহজীব ঊল ইসলাম সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও উক্ত ভার্সিটির দিবা শাখার দেশী-বিদেশী সকল ছাত্র-ছাত্রী বৃন্দ।

সম্মানিত উপদেষ্টা স্যার বলেন যে, “আজকের আয়োজিত খোলামেলা সভায় উপস্থিতির জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডে ব্যাচের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের। আজ আমরা সকল শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ নিয়ে মনের সব চিন্তা-চেতনা শুনব সামনাসামনি যা হবে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি মাইলফলক এবং অনুকরণীয়।আমাদের সবার উদ্দেশ্য একটিই আর তা হল শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে তথা বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন। আজকের এই সভা সেটি বাস্তবায়নে গুরত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি, ইনশাল্লাহ।”

আলোচনা সভা বিষয়ে সম্মানিত রেজিস্ট্রার বলেন,” আমরা এতটাই আনন্দিত এবং উচ্ছ্বাসিত এরকম আয়োজনে যে খুব দ্রুত বাকি সব বিভাগেই এমন সভার আয়োজন করার চিন্তা করা হচ্ছে। সিএসই সবকিছুতেই যে সেরা তা আজ আবার তারা প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছে এরকম একটি ব্যতিক্রমী সভার আয়োজন করে যা অন্য যে কোন সরকারী-বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনো হয়েছে বলে আমি শুনিনি যেটা সকলের জন্য অতীব জরুরী। আশা করি সকল শিক্ষার্থীদের উক্ত বিষয়গুলো খুব দ্রুত সমাধানের মুখ দেখবে, ইনশাল্লাহ।”

এ বিষয়ে ডীন স্যার বলেন, “এ আলোচনা সভার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের ভাল-মন্দ চাহিদা সম্পর্কে সব জানতে পারলাম। খুব দ্রুতই এর সমাধানের চেষ্টা করবো। এছাড়া খুব শীঘ্রই ইভিনিং ব্যাচগুলোর সাথেও এমন খোলামেলা আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে এবং এই ধারা আগামী সেমিস্টার গুলোতেও অব্যাহত থাকবে”।

এছাড়া আলোচনা সভায় অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ডে ব্যাচের দেশী-বিদেশী ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নানা চাহিদা এবং বিভাগের মানোন্নয়নে বিভিন্ন বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। এ আলোচনার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের মধ্যে আরও মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বলে শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা মত পোষন করেন। তাই ভবিষ্যতে যেন আরও এমন সভার আয়োজন করা হয় এ আশা ব্যক্ত করেছে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা।